1. rkparvez07@gmail.com : aparajeyokantho : rkparvez07 rkparvez07
সিভিল সার্ভিস থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে জনাব মো.ইসমাইল জবিউল্লাহ - https://aparajeyokantho.news
September 11, 2026, 12:00 pm
নোটিশঃ
যে কোন বিভাগে প্রতি জেলা, থানা/উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ‘aparajeyokantho.com ’ জাতীয় পত্রিকায় সাংবাদিক নিয়োগ ২০২৩ চলছে। বিগত ১ বছর ধরে ‘cnm24.com’ অনলাইন সংস্করণ পাঠক সমাজে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। পাঠকের সংখ্যায় প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে নানা শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করছে তরুণ, অভিজ্ঞ ও আন্তরিক সংবাদকর্মীরা। এরই ধারাবাহিকতায় ‘aparajeyokantho.com.‘ পত্রিকায় নিয়োগ প্রক্রিয়ার এ ধাপ
শিরোনামঃ
সবুজ ভবিষ্যৎ গড়তে খুলনা পলিটেকনিকে বৃক্ষরোপণ ; আয়োজনে বাংলাদেশ ইয়ূথ ক্যাডেট ফোরাম (বিওয়াইসিএফ) খুলনায় বিওয়াইসিএফের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি লক্ষ্মীপুরে পুনাক বিপণী বিতানে নতুন স্টল ; উদ্বোধন করলেন পুনাক সভানেত্রী শারমিন আক্তার লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী, পিপিএম-সেবা লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া সামগ্রী দিল জেলা পুলিশ বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উচ্চমান সহকারী পদে নিযুক্ত হয়েছেন লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের প্রাক্তন সহকারী শাহেদ আজগর। লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সম্মানিত প্রাক্তন শিক্ষক প্রফেসর মাইন উদ্দিন পাটোয়ারী আর নেই।(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গতি আনতে টিআইবির নাগরিক উদ্যোগ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গতি আনতে টিআইবির নাগরিক উদ্যোগ প্রান্তিক পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়নে লক্ষ্মীপুরে ১০ দিনের সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ শুরু ; প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা।

সিভিল সার্ভিস থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে জনাব মো.ইসমাইল জবিউল্লাহ

  • Update Time : Monday, August 17, 2026

 

এম হাসান বাপ্পি চৌধুরী   ও
এ,এস,এম,রেজাউল করিম (পারভেজ)

সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তা থেকে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব, বিভিন্ন আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব- দীর্ঘ কর্মজীবনে নানা ভূমিকায় দায়িত্ব পালন করেছেন মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে ক্যাবিনেট মন্ত্রীর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বিএনপির নীতি নির্ধারণী কর্মকাণ্ডেও দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় এই সাবেক আমলাকে এবার দলটির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের রামগতি থানার শান্তির হাট (চরকাদিরা) এলাকার মোক্তারবাড়িতে ১৯৫০ সালে জন্মগ্রহণ করেন মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। তৎকালীন নোয়াখালী জেলার এই এলাকা বর্তমানে লক্ষ্মীপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত। তাঁর বাবা সুজাউদ্দিন আহমেদ ছিলেন লক্ষ্মীপুর সামাদ একাডেমির সম্মানিত শিক্ষক। পরে পরিবার লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার শমসেরবাদ গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে।

মেধাবী ছাত্র থেকে শিক্ষক:
ছাত্রজীবনেই মেধার পরিচয় দেন ইসমাইল জবিউল্লাহ। ১৯৬৫ সালে লক্ষ্মীপুর সামাদ একাডেমি থেকে এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের মেধাতালিকায় ১২তম স্থান অর্জন করেন। দুই বছর পর, ১৯৬৭ সালে লক্ষ্মীপুর কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় একই বোর্ডের মেধাতালিকায় তৃতীয় হন।
পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৭০ সালে বিএ (অনার্স) এবং ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত ১৯৭১ সালের স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পরীক্ষাতেও প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি। পরে যুক্তরাষ্ট্রের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাপানের এডিবি ইনস্টিটিউটে উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হলের প্রথম ব্যাচের আবাসিক ছাত্র ছিলেন তিনি। ১৯৬৭ সালে হল ছাত্র সংসদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। বিতর্ক, সাহিত্য, পত্রিকা প্রকাশনা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর সক্রিয়তা ছিল।
স্বাধীনতার পর লক্ষ্মীপুরে ‘কাকলি’ ও ‘ত্রিধারা’ নামে দুটি সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। অধ্যাপক ননী গোপাল ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ত্রিধারা শিক্ষা নিকেতন’। নাটক, আবৃত্তি, স্মরণিকা প্রকাশ, একুশে ফেব্রুয়ারি, বাংলা নববর্ষ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম ও সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মজয়ন্তী উদযাপনেও যুক্ত ছিলেন তিনি।
১৯৭৩ সালে চৌমুহনী কলেজে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। একই সময়ে চন্দ্রগঞ্জ কফিলউদ্দিন কলেজে খণ্ডকালীন অধ্যাপক এবং পরে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত নোয়াখালী সরকারি কলেজে ইংরেজির প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সিভিল সার্ভিসে প্রবেশ:
১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের প্রথম নিয়মিত সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ইসমাইল জবিউল্লাহ। ১৯৭৭ সালে সহকারী কমিশনার (ম্যাজিস্ট্রেট) হিসেবে চট্টগ্রামে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন।
কর্মজীবনে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ম্যাজিস্ট্রেট ও সামরিক আইন আদালতের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন সময়ে যোগাযোগ, স্বরাষ্ট্র, স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর একান্ত সচিব ছিলেন।
১৯৮৬ সালে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং ২০০২ সালে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিবের দায়িত্বও পালন করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তাপুষ্ট ‘প্রমোট’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন। এ সময় নারী শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা রাখেন বলে তাঁর জীবনীতে উল্লেখ করা হয়েছে।
কর্মজীবনের শেষ দিকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা:
সরকারি চাকরির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও কাজ করেছেন ইসমাইল জবিউল্লাহ। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ব্রুনাই ও মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে শ্রম কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সংশ্লিষ্টদের দাবি, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমবাজার সম্প্রসারণেও সে সময় তিনি ভূমিকা রাখেন।
২০০৩-২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) সদস্য, সুইডেনের মালমোতে অবস্থিত ওয়ার্ল্ড মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির গভর্নর এবং ২০০৪-২০০৬ সালে জেদ্দায় ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইএসডিবি) নির্বাহী পরিচালক ছিলেন।
বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিকল্প গভর্নর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। জাতিসংঘ, ওআইসি, কমনওয়েলথ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কর্মসূত্রে বিশ্বের ৩৫টির বেশি দেশ সফর করেছেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে চীন সফরেও বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন তিনি। বর্তমানে বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজের (আইসিএপিপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ব্যাংক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব:
সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও নীতি নির্ধারণী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ছিলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক, আইসিডিডিআর,বির বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর এবং আগারগাঁওয়ের আইডিবি ভবনের মোতাওয়াল্লী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন। ২০২১-২০২২ সালে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ছিলেন।
বর্তমানে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও তেজগাঁও উইমেনস কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ অ্যালামনাই সোসাইটির সভাপতিও।

বিএনপিতে সক্রিয়তা:
সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘ কর্মজীবনের পর ইসমাইল জবিউল্লাহ বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ২০১৬ সাল থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২০২৬-এর প্রধান সমন্বয়ক ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হিসেবেও কাজ করছেন।
একই সময় থেকে বিএনপির গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট রিসার্চ সেন্টারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও গবেষণা প্রধান এবং সাবেক আমলাদের সংগঠন ‘পলিসি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসার্চ সোসাইটি’র চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিএনপির ভিশন-২০৩০, তারেক রহমান ঘোষিত ২৭ দফা, যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়।
সংস্কার কার্যক্রমেও তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল। জুলাই সনদ প্রণয়নসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কারবিষয়ক ঐকমত্য কমিশনে বিএনপির অন্যতম প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেন। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন সংস্কারসংক্রান্ত দলীয় কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন সময়ে নির্বাচন কমিশনে বিএনপির প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বও দিয়েছেন।

মামলার মুখোমুখি:
রাজনৈতিক জীবনে মামলারও মুখোমুখি হয়েছেন ইসমাইল জবিউল্লাহ। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এক-এগারোর সময় তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হাইকোর্ট তাঁকে ওই মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।
এ ছাড়া ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে তাঁর বিরুদ্ধে আরও ছয়টি ‘গায়েবি’ মামলা করা হয়েছিল বলেও বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।

লক্ষ্মীপুরের সঙ্গে সম্পর্ক:
লক্ষ্মীপুরের সঙ্গে ইসমাইল জবিউল্লাহর সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। শিক্ষকতা থেকে সরকারি প্রশাসন- বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি জেলার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন বলে স্থানীয়দের অনেকে মনে করেন।
তাঁর সাবেক শিক্ষার্থীদের অনেকেই বর্তমানে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় আইন ও বিধির মধ্যে থেকে বৃহত্তর নোয়াখালী, বিশেষ করে লক্ষ্মীপুরের উন্নয়নেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা দাবি করেন।
যোগাযোগ ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনের সময় লক্ষ্মীপুরের সড়ক ও সেতু উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত কাজে তাঁর ভূমিকার কথা স্থানীয় পর্যায়ে আলোচিত হয়। এলাকার এতিমখানা, মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সহযোগিতা করেছেন বলে সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য।

স্থায়ী কমিটিতে নতুন দায়িত্ব;
দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজের সুযোগ, বিভিন্ন আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব এবং বিএনপির নীতি প্রণয়ন ও গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার পর জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেলেন মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

সাবেক এই আমলার রাজনৈতিক পরিসরে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়া বিএনপির নীতি নির্ধারণে প্রশাসনিক ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটাতে পারে বলে দলটির নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছে। বিশেষ করে প্রশাসন, রাষ্ট্র সংস্কার, অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নীতি প্রণয়নে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা স্থায়ী কমিটির কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে- এমন প্রত্যাশাও রয়েছে।

সাংবাদিক ও কলামিস্ট   এম হাসান বাপ্পি চৌধুরী 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 aparajeyokantho.com
Design & Developed by BD IT HOST