1. rkparvez07@gmail.com : aparajeyokantho : rkparvez07 rkparvez07
বর্ষায় সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাসে সতর্কতা: কী খাবেন, কী এড়িয়ে চলবেন - https://aparajeyokantho.news
July 23, 2026, 12:31 am
নোটিশঃ
যে কোন বিভাগে প্রতি জেলা, থানা/উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ‘aparajeyokantho.com ’ জাতীয় পত্রিকায় সাংবাদিক নিয়োগ ২০২৩ চলছে। বিগত ১ বছর ধরে ‘cnm24.com’ অনলাইন সংস্করণ পাঠক সমাজে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। পাঠকের সংখ্যায় প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে নানা শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করছে তরুণ, অভিজ্ঞ ও আন্তরিক সংবাদকর্মীরা। এরই ধারাবাহিকতায় ‘aparajeyokantho.com.‘ পত্রিকায় নিয়োগ প্রক্রিয়ার এ ধাপ
শিরোনামঃ
বর্ষায় সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাসে সতর্কতা: কী খাবেন, কী এড়িয়ে চলবেন পরীক্ষার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে যা করবেন অল্প পড়াশোনা করেও পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার কার্যকর ১০টি উপায় অল্প পড়াশোনা করেও পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার কার্যকর ১০টি উপায় গরমে কি খাবেন; কি খাবেন না ২০২৬ সালে নারীদের একা ভ্রমণের জন্য ও নিরাপদ যে ৫ দেশ; বাংলাদেশ নাম এই তালিকায় পাওয়া যায়নি প্রতিবন্ধীতার গল্প(৪)    “নিঃশব্দ প্রতিবন্ধীর আর্তনাদ” লক্ষ্মীপুরে এক হাজার মানুষের মাঝে জামায়াতের ঈদ উপহার বিতরণ লক্ষ্মীপুরের মানবিক চিকিৎসক ডা. আনোয়ার হোসেন নোয়াখালীর সিভিল সার্জন রক্তঝরা পথ পেরিয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে সাবু, লক্ষ্মীপুরে নতুন বার্তা

বর্ষায় সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাসে সতর্কতা: কী খাবেন, কী এড়িয়ে চলবেন

  • Update Time : Thursday, July 23, 2026
  • 13 Time View

বর্ষা মানেই প্রকৃতির সজীবতা, গরমের তীব্রতা থেকে স্বস্তি এবং প্রশান্তির আবহ। তবে এই মৌসুমে বাতাসের আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় চারপাশে সৃষ্টি হয় স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ, যা বিভিন্ন রোগজীবাণুর বংশবিস্তারের জন্য অনুকূল। ফলে সর্দি-জ্বর, ঠান্ডা-কাশি, অ্যালার্জি, ত্বকের সংক্রমণ, ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও হজমজনিত নানা সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষাকালে শরীরের হজমশক্তি তুলনামূলক কমে যেতে পারে। তাই এ সময় সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিরাপদ খাবার নির্বাচন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মৌসুমি ফল রাখুন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়

  • বর্ষার মৌসুমে প্রতিদিন অন্তত একটি মৌসুমি

    ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। আপেল, নাশপাতি, বেদানা ও কলার মতো ফলে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এসব ফলে পানির পরিমাণ তুলনামূলক কম হওয়ায় জলবাহিত রোগের ঝুঁকিও কম থাকে।

তবে আম খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমিতি বজায় রাখা ভালো। যাদের ব্রণ বা ত্বকের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত আম খেলে সমস্যা বাড়তে পারে।

পর্যাপ্ত পানি ও উষ্ণ পানীয় পান করুন

বর্ষাকালে অনেকেরই অজান্তে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই পর্যাপ্ত নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান করা জরুরি। ঠান্ডা কোমল পানীয়ের পরিবর্তে আদা, কালো গোলমরিচ, তুলসী ও পুদিনাপাতা দিয়ে তৈরি হারবাল চা পান করলে শরীর উষ্ণ থাকে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং গলা সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে।

অতিরিক্ত চা, কফি ও চিনিযুক্ত পানীয় পরিহার করাই ভালো।

সবসময় তাজা ও সহজপাচ্য খাবার খান

বর্ষাকালে বাসি খাবার খাওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। তাই প্রতিবারই তাজা রান্না করা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। একসঙ্গে অতিরিক্ত খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে কয়েকবার খাওয়া হজমের জন্য উপকারী।

ভাত, ওটস, ডাল ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার হজম ভালো রাখতে সহায়তা করে।

কাঁচা নয়, সিদ্ধ সবজি বেশি নিরাপদ

বর্ষায় কাঁচা সবজিতে ক্ষতিকর জীবাণু থাকার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই সালাদ বা অন্যান্য কাঁচা সবজির পরিবর্তে ভালোভাবে ধুয়ে সিদ্ধ বা রান্না করা সবজি খাওয়াই নিরাপদ। এতে ব্যাকটেরিয়ার ঝুঁকি কমে এবং খাবার সহজে হজম হয়।

তেতো খাবারের উপকারিতা

করলা, নিমপাতা, হলুদ ও মেথির মতো তেতো খাবারে রয়েছে বিভিন্ন উপকারী উদ্ভিজ্জ উপাদান, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে এসব খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

ভাজাপোড়া ও রাস্তার খাবার: পেঁয়াজু, সিঙাড়া, চপ, পাকোড়া, ফুচকা, চটপটি ইত্যাদি খোলা পরিবেশে তৈরি হওয়ায় সহজেই জীবাণু দ্বারা দূষিত হতে পারে। খেতে চাইলে বাসায় স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি করাই ভালো।

শাক: বর্ষায় শাকের পাতায় নোংরা পানি, পোকামাকড় ও ব্যাকটেরিয়া থাকার ঝুঁকি বাড়ে। তাই খুব ভালোভাবে পরিষ্কার ও রান্না না করে শাক খাওয়া উচিত নয়।

রাস্তার পাশে কেটে রাখা ফল ও ফলের রস: দীর্ঘ সময় খোলা অবস্থায় থাকায় এসব ফলে সহজেই ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে, যা ডায়রিয়া, টাইফয়েডসহ বিভিন্ন পেটের রোগের কারণ হতে পারে।

দুগ্ধজাত খাবার: দুধ, দই, ছানা বা অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবার দ্রুত নষ্ট হতে পারে। তাই অবশ্যই তাজা ও সঠিকভাবে সংরক্ষিত দুগ্ধজাত পণ্য খেতে হবে।

মাছ ও মাশরুম খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা

মাছ অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার হলেও বর্ষাকালে অবশ্যই টাটকা ও নিরাপদ উৎসের মাছ বেছে নেওয়া উচিত। দীর্ঘ সময় সংরক্ষিত বা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে—এমন মাছ এড়িয়ে চলাই ভালো।

মাশরুমের ক্ষেত্রে বাজার বা খামারে উৎপাদিত তাজা মাশরুম কিনুন। ভালোভাবে পরিষ্কার করে পর্যাপ্ত তাপে রান্না করে খেলে ঝুঁকি কমে। বন্য বা অজানা উৎসের মাশরুম কখনোই খাওয়া উচিত নয়।

আরও যেসব বিষয় মেনে চলা জরুরি

  • খাওয়ার আগে ও টয়লেট ব্যবহারের পরে সাবান দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড হাত ধুয়ে নিন।
  • ফুটানো বা বিশুদ্ধ পানি পান করুন।
  • ফল ও সবজি ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করুন।
  • রান্না করা খাবার দীর্ঘ সময় খোলা অবস্থায় রাখবেন না।
  • জ্বর, ডায়রিয়া বা বমি হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
  • শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী নারী ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাদ্য ও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে।

সচেতনতাই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা

বর্ষা উপভোগের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে সামান্য সচেতনতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেই এ মৌসুমের অধিকাংশ সংক্রামক ও খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। নিরাপদ খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং পরিচ্ছন্ন জীবনযাপনই হতে পারে বর্ষাকালে সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

এ,এস,এম,রেজাউল করিম(পারভেজ)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023 aparajeyokantho.com
Design & Developed by BD IT HOST